আপনি এই ভিসা নিয়ে ইউরোপের সেটেল হতে পারবেন . দূতাবাস থেকে ডি ভিসা হবে . যা সাধারণত ০১ বছরেরমাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা হয়ে থাকে . আর একথা সুস্পষ্ট যে, ভিসার মেয়াদ শেষ হলে, ভিসাটি ০১-০৪ বছর এমনকি বহু বছর পর্যন্ত ভিসা রিনিউ করতে পারবেন . দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ক্ষেত্রে পোল্যান্ড-এ আপনার নিজের ব্যবসা শুরু করতে পারবেন .পরিবারের সদস্যদের আমন্ত্রণ জানানো এবং পরিশেষে পোল্যান্ডে স্থায়ী বাসকারী হওয়ার সুযোগ পেতে পারেন.
 
যেভাবে ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে
ধাপ 1: ডকুমেন্টস জমা করতে হবে
ধাপ 2: ৬০ দিনের মধ্যে ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু হবে
ধাপ 3: আম্বাসি-তে ভিসার জন্য ডকুমেন্ট জমা করতে হবে
ধাপ 4: বাংলাদেশ থেকে ফ্লাই
চাকরির ধরন
পোল্যান্ডে অনেক ধরনের কাজ আছে।(শিক্ষাগত ও কাজের অভিজ্ঞতা অনুসারে). অগ্রাধিকারভুক্ত চাকুরীর খাত সমূহ নিচে উল্লেখ করা হলো-
1. বিজনেস ম্যানেজমেন্ট / মার্কেটিং অফিসার / একাউন্টেন্ট ইত্যাদি
2. বৈদ্যুতিক ইঞ্জিনিয়ার. / সিভিল ইঞ্জিনিয়ার. / ইলেক্ট্রনিক মেকানিক ইত্যাদি
3. আইটি , ফ্যাশন ডিজাইন
4. মেডিকেল / মেডিসিন স্পেশালিস্ট
5. হোটেল / রেষ্টুরেন্ট সুপারভাইজার / অফিসার
 

সময়

60 দিনের মধ্যে ওয়ার্ক পারমিট/ভিসা লেটার ইস্যু হয় +ভিসা প্রসেsসিং সময় (সাধারণত 30-40 দিন প্রায়দূতাবাসের নিয়ম অনুসারে)



আবশ্যকতা

1. নূন্যতম এইচএসসি (১ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা)

2. ইংরেজিতে কথা বলার সাবলীলতা

3. বয়স 18+

4. উদ্যমী, স্মার্ট, কাজ করতে আগ্রহী এবং চরিত্রভাবে বিশ্বস্ত
 

For visa application following documents have to submit at embassy:

Part 2

· Passport

· Photo (35mm x 45mm)

· Education Certificates + Marksheet (attested)
· Training / Workshop certificates
· Employment details (Experience Letter , Employment Certificate, Office ID, Salary cert., leave letter)
· Bank statement (< 3.5 lakh)
 
· Insurance
· Police clearance
· India Visa
· Birth Certificate / voter ID
· Family details

 

 
বর্তমানে আমাদের এজেন্টগন সাফল্যের সাথে পোল্যান্ডের ওয়ার্ক পারমিটের কাজ করছেন। সাফল্যের হার 99%। ভিসার আগে আমরা কোন প্রকার অগ্রীম নেইনা। বর্তমানে আমাদের রেট ১১ লক্ষ টাকা ভিসার পর। পোল্যান্ডে কাজের ধরন স্টেপ অনুসারে নিচে দেখানো হলো। যারা পোল্যান্ডে আগ্রহী তারা নিচের স্টেপগুলো পছন্দ হলেই কেবলমাত্র আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন।
১। ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে চুক্তিপত্র। চুক্তিপত্রের সময় ক্যান্ডিডেট নিজের এ্যাকাউন্টের একটি এ্যাডভান্স ডেটেড চেক প্রদান করবেন। চেকের ডিটেইলস চুক্তিপত্রে উল্লেখ থাকবে।
২। ওয়ার্ক পারমিট আসলে ক্যান্ডিডেট নিজের খরচে ভারতে যাবেন এবং ৭ থেকে ১২ দিন থাকবেন।
৩। দিল্লীর পোলিশ এ্যামবাসি থেকে নিজের হাতে ভিসা গ্রহনের সাথে সাথে বাংলাদেশ থেকে আমাদের এজেন্টকে ৮ লক্ষ টাকা প্রদান করতে হবে।
৪। এরপর ক্যান্ডিডেট বাংলাদেশে চলে আসবেন পাসপোর্ট ও ভিসা নিয়ে। বাংলাদেশ সরকারের জনশক্তি মন্ত্রনালয়ে পাসপোর্ট ম্যান পাওয়ার পারমিশনের জন্য জমা দিতে হবে। ম্যান পাওয়ার হবার সাথে সাথেই বাকি তিন লক্ষ টাকা এজেন্টকে প্রদান করতে হবে।
পুরো প্রক্রিয়াটি visas4u পর্যবেক্ষন করবে। আমরা দেখবো আপনি যাতে অনিরাপদ বোধ না করেন এবং এজেন্টের কর্মশ্রমের প্রাপ্তি যেন নিরাপদ হয়। প্রক্রিয়াটি পছন্দ হলে যোগাযোগ করুন: 01772369451