Posts from category "General Blog"

কানাডার স্টুডেন্ট ভিসার উপযুক্ত সময় এই মাস

পনারা সবাই জানেন কানাডা এতোবড়ো একটা দেশ যাকে মহাদেশ বললেও ভুল হবেনা। আর এতোবড়ো দেশের লোকসংখ্যা মাত্র তিন কোটি ছত্রিশ লাখ ২০১৬ এর আদমশুমারী মতে। বাংলাদেশর ১৯ কোটি জনসংখ্যা যদি কানাডার ভেতর ১০ গুন করে ভরা হয় তারপরও কানাডার একেকটা প্রদেশ ভরতে পারবেন না। তাই কানাডার মূল লক্ষ্য হলো এর জনসংখ্যা বাড়ানো যাতে করে তাদের জনশক্তি বাড়ে। তাই তারা চায় বিদেশ থেকে দক্ষ জনবল বিভিন্ন মাধ্যমে দেশে আনা। যারা অদক্ষ তাদের আসা বন্ধ করা। যেমন ধরুন স্টুডেন্ট ভিসার কথাই ধরা যাক। কানাডা চায় মেধাবীরা এদেশে আসুক যাতে তারা ভবিষ্যতে সেই দেশে উন্নতিতে তারা অবদান রাখতে পারে। এই চিন্তা করে তারা স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে মেধা যাচাই করে দুটো বিভাগে যে তার সিজিপিএ কতো এবং ইংরেজীতে তার দক্ষতা কেমন। IELTS  ছাড়াও আমাদের অনেক ভিসা হয়েছে, সেক্ষেত্রে তারা সিজিপিএ দেখে ভিসা দিয়েছে। এরপর তারা জুন মাস থেকে IELTS ছাড়া ফাইলগুলো পুরোপুরি রিজেক্ট করা শুরু করে। এই অবস্থা দেখে আমরাও আমাদের ডিসিশন পরিবর্তন করি। পুরাতন বিজ্ঞাপন পরিবর্তন করে IELTS সহ যেসব ফাইল আছে সেগুলো নিতে শুরু করি। সেজন্য অনেকেই আমাদের ভুল বুঝেছেন যে আমরা আগে বলেছি IELTS ছাড়া ভিসা হবে এবং পরে বলছি IELTS লাগবে। খেয়াল রাখবেন আমরা আমাদের সব পোস্টেই আপডেটেড তথ্য সরবরাহ করি। কাউকে ভুল তথ্য সরবরাহ করে আমাদের কোন লাভ নেই। আমরা মূলত ব্লগার ছিলাম। মানুষের উপকারের কথা মাথায় রেখে কাজ করতে গিয়ে আমরা দেখলাম আমাদের বাঁচতে হবে। তাই মেম্বারশিপ করে ৪০০ টাকা নেয়া শুরু করলাম। এই ৪০০ টাকা ছাড়া আমাদের আর কোন লাভ নেই। আপনার ভিসা হলে এজেন্টের লাভ, আপনার লাভ। আর এই ৪০০ টাকার বিনিময়ে আপনি পাচ্ছেন আমাদের তথ্য, ভিসা সেবা। আপনি মেম্বার হলে আমরা আপনার জন্য একজন সঠিক ভিসা এজেন্ট খুঁজে দেব। যাকে আমরা বলছি ভেরিফায়েড এজেন্ট। আমরা ভেরিফাই করার কেউ নই। ভেরিফাই করবে সরকার, আমরা জাস্ট দেখে নেই যে তারা সত্যিকার অর্থে ভেরিফায়েড কিনা, যেমন তাদের এমপি লাইসেন্স আছে কিনা, তাদের আপডেটেড ট্রেড লাইসেন্স আছে কিনা, তারা প্রতিবছর সরকারকে কর দিচ্ছে কিনা, তাদের নিজস্ব অফিস আছে কিনা এবং পরিশেষে তাদের ট্র্যাক রেকর্ড কেমন অর্থাৎ তাদের ভিসা রেশিও কেমন ও তাদের নামে কোন হুলিয়া আছে বা অভিযোগ আছে কিনা। এ পর্যন্ত আমরা সারা দেশের অগনিত সৎ যোগ্য ভিসা এজেন্ট পেয়েছি ও তাদের সাথে কাজ করেছি ও করছি। কানাডার স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রেও তাই। এখন আর IELTS ছাড়া ভিসা হবেনা।দয়া করে IELTS ছাড়া ভিসার জন্য দাঁড়াবেন না। দ্রুত IELTS পরীক্ষা দিয়ে নিন। IELTS পরীক্ষা তেমন কঠিন কোন বিষয় নয়। পরীক্ষা দিলেই আপনি ৫.০ পাবেন। আর তাতেই চলবে। আপনার যদি ২০১৭-২০১৮ তে এইচএসসি থাকে তবে মার্কস যাই থাকুক আপনি IELTS পরীক্ষা দিয়ে নিন। ২০১৯ এর সেপ্টেম্বর ইনটেকের জন্য ফাইল দেবার উপযুক্ত সময় এই মে মাস। সেপ্টেম্বরের জন্য এ্যামবাসি ফেস করবেন জুলাই মাসে। IELTS থাকলে আপনার ভিসা অনেকটাই নিশ্চিত হবে। আপনি যদি ২০১৭-২০১৮ এর এইচএসসির পরীক্ষার্থী হয়ে থাকেন তবে কানাডার ভিসার জন্য আমাদের ফোন দিন। এবং ভিসা ক্লাবের মেম্বার হয়ে আবেদন করুন।ভিসা ক্লাবের মেম্বার হবার জন্য নিচের ডান দিকের বাটন ও আবেদন করার জন্য বাম দিকের বাটনটি চাপুন।

 

খুব সহজে লাটভিয়ার ভিসা

 

যদি দেশ সম্পর্কে বলতে হয় তবে বলবো যে ইউরোপের সবগুলো দেশই খুবই সুন্দর।আপনি একটাকে আরেকটার সাথে তুলনা করতে পারবেন না। লাটভিয়া ২০০৪ সালে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে যোগদান করে এবং ২০০৭ সালে সেনজেন আওতা ভুক্ত হয়। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বেশ ভালো. বাংলাদেশী ছাত্রছাত্রীরা লাটভিয়া সম্পর্কে তেমন জানেনা বিধায় তারা কেবল জার্মানী, ফ্রান্স, সুইডেন, ফিনল্যান্ড ডেনমার্ক এসব দেশে পড়তে যেতে চায়।  তবে ২০১৯ থেকে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান থেকে প্রচুর ছাত্রছাত্রী লাটভিয়াতে পড়তে যাচ্ছে। এর প্রধান কারন হলো আপনি যদি জার্মানী, ফ্রান্ড বা সুইডেন যান তবে সেখানে নানা সমস্যা সামনে আসবে যেমন ইমিগ্রেশন নীতিমালা, সিটিজেনশিপ পাবার নিয়ম, বিয়ে করতে না পারা, বিশাল করের বোঝা ইত্যাদি। ওসব দেশে পড়াশোনার পাশাপাশি চাকরি বা ব্যবসা করার ওপরও বেশ নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। লাটভিয়া এদিক থেকে ভালো।  লাটভিয়াতে বর্তমানে ৫ হাজার এর ওপর লোক আছে যাদের নিজের দোকানপাট নিয়ে ব্যবসায় করছে। লাটভিয়া সেনজেন দেশ হওয়াতে আপনি সেখান থেকে যেকোন ২৭টি দেশে চলে যেতে পারছেন খুব সহজে। সেনজেনে আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অনেক বাংলাদেশী পড়াশোনা করছে। আরেকটা বিষয় বলে নেয়া দরকার লাটভিয়ার ব্যপারে। লাটভিয়াতে আপনি যদি পড়াশোনা শেষ করতে পারেন তবে আপনি ইউরোপের অন্যান্য দেশ থেকে বেশী সুজোগ সুবিধা পাবেন। এখানে এক মাস কাজ করলে আপনি বেতন পাবেন ৫৫০ ইউরো থেকে ৬০০ ইউরো যা বাংলা টাকায় ৫৫০০০-৬০০০০ টাকা হবে। যারা মূলত পড়াশোনা করতে আসেন তাদের জন্য পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া খুবই সম্ভব কারন টিউশন ফি কম। সেখানে থাকা ও খাওয়ার খরচও কম, ফলে আপনি যা পার্ট টাইম চাকরি করবেন তার বেশীরভাগই রয়ে যাবে। আরেকটি বড় বিষয় হলো আপনি চাইলে লাটভিয়াতে খুব সহজে বিয়ে করে ইউরোপিয়ান নাগরিকত্ব নিতে পারেন। আর এটি পেতে তেমন কোন সংগ্রাম করতে হয়না জার্মানী বা ফ্রান্সের মতো। পড়াশুনারত অবস্থায়, চাইলে আপনি আপনার রেসিডেন্ট পার্মিট ব্যবসায়িক পার্মিট এ পরিবর্তন করতে পারেন। অনেকেই এই বিষয়টি জানেনা। ব্যবসায়িক পার্মিট এ পরিবর্তন করতে হলে আপনাকে ব্যাঙ্ক এ কিছু টাকা দেখাতে হবে। লাটভিয়ার বেশীরভাগ ইউনিভার্সিটিতে স্কলারশিপ নিয়ে মাস্টার্স ও পি এইচ ডি তে পড়াশুনা করতে পারা যায়।

পড়াশোনার ক্ষেত্রে ইউরোপের অন্যান্য দেশের নিয়মকানুন থেকে লাটভিয়ার নিয়মকানুন একটু সহজ বিধায় ভিসার ক্ষেত্রে সম্ভাবনা থাকে ভিসা পাবার। তবে সবচেয়ে বড়ো ব্যপার, লাটভিয়া হচ্ছে ইউরোপের গেটওয়ে। অনেকেই নামমাত্র পড়াশোনার জন্যে এসে বড়ো বড়ো দেশে চলে যাচ্ছেন। আর এই যাওয়াতে কোন বাধা নেই। আপনি চাইলে লাটভিয়ার বড়ো বড়ো ইউনিভার্সিটির সাথে যোগাযোগ করতে পারেন দেখতে পারেন তাদের ক্যাম্পাসগুলো বড়ো বড়ো দেশে আছে কিনা। সংক্ষেপে আপনাদের কে ইউনিভার্সিটি তে অপ্প্লিকেসন করতে কি কি ডকুমেন্টস দরকার তা বলে দিচ্ছি।

১#  পাসপোর্ট এর কপি

২#  SSC ও HSC এর সার্টিফিকেট

৩# SSC ও HSC এর মার্ক শীট

৪#  Bachelor এর সার্টিফিকেট ও মার্কশীট ( যারা মাস্টার্স এ আবেদন করবেন )

৫#  Recomendation লেটার

৬# এপ্লিকেশন ফী  ৩০০ ইউরো বা ৪০০ ইউরো

৭#  টিউসন ২০০০-৩২০০ ইউরো পর্যন্ত হতে পারে। তবে এটি নির্ভর করে ইউনিভার্সিটি ও কোন বিষয়ের ওপর পড়াশুনা করতে চান তার ওপর।

৮# English language Proficiency যেমন IELTS 5.0- 6 .00, TOFEL -550

তবে লাটভিয়া , লিথুয়ানিয়া , এস্তোনিয়া এর ক্ষেত্রে ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ স্কাইপের মাধ্যমে আপনার একটা exam নিয়ে আপনাকে change দিতে পারে। IELTS করা থাকলে ভিসার গারান্টি ১০০% ধরে রাখেন .

পোল্যান্ডের ভিসার নিয়ম কানুন
আপনি এই ভিসা নিয়ে ইউরোপের সেটেল হতে পারবেন . দূতাবাস থেকে ডি ভিসা হবে . যা সাধারণত ০১ বছরেরমাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা হয়ে থাকে . আর একথা সুস্পষ্ট যে, ভিসার মেয়াদ শেষ হলে, ভিসাটি ০১-০৪ বছর এমনকি বহু বছর পর্যন্ত ভিসা রিনিউ করতে পারবেন . দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ক্ষেত্রে পোল্যান্ড-এ আপনার নিজের ব্যবসা শুরু করতে পারবেন .পরিবারের সদস্যদের আমন্ত্রণ জানানো এবং পরিশেষে পোল্যান্ডে স্থায়ী বাসকারী হওয়ার সুযোগ পেতে পারেন.
 
যেভাবে ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে
ধাপ 1: ডকুমেন্টস জমা করতে হবে
ধাপ 2: ৬০ দিনের মধ্যে ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু হবে
ধাপ 3: আম্বাসি-তে ভিসার জন্য ডকুমেন্ট জমা করতে হবে
ধাপ 4: বাংলাদেশ থেকে ফ্লাই
চাকরির ধরন
পোল্যান্ডে অনেক ধরনের কাজ আছে।(শিক্ষাগত ও কাজের অভিজ্ঞতা অনুসারে). অগ্রাধিকারভুক্ত চাকুরীর খাত সমূহ নিচে উল্লেখ করা হলো-
1. বিজনেস ম্যানেজমেন্ট / মার্কেটিং অফিসার / একাউন্টেন্ট ইত্যাদি
2. বৈদ্যুতিক ইঞ্জিনিয়ার. / সিভিল ইঞ্জিনিয়ার. / ইলেক্ট্রনিক মেকানিক ইত্যাদি
3. আইটি , ফ্যাশন ডিজাইন
4. মেডিকেল / মেডিসিন স্পেশালিস্ট
5. হোটেল / রেষ্টুরেন্ট সুপারভাইজার / অফিসার
 

সময়

60 দিনের মধ্যে ওয়ার্ক পারমিট/ভিসা লেটার ইস্যু হয় +ভিসা প্রসেsসিং সময় (সাধারণত 30-40 দিন প্রায়দূতাবাসের নিয়ম অনুসারে)



আবশ্যকতা

1. নূন্যতম এইচএসসি (১ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা)

2. ইংরেজিতে কথা বলার সাবলীলতা

3. বয়স 18+

4. উদ্যমী, স্মার্ট, কাজ করতে আগ্রহী এবং চরিত্রভাবে বিশ্বস্ত
 

For visa application following documents have to submit at embassy:

Part 2

· Passport

· Photo (35mm x 45mm)

· Education Certificates + Marksheet (attested)
· Training / Workshop certificates
· Employment details (Experience Letter , Employment Certificate, Office ID, Salary cert., leave letter)
· Bank statement (< 3.5 lakh)
 
· Insurance
· Police clearance
· India Visa
· Birth Certificate / voter ID
· Family details

 

 
বর্তমানে আমাদের এজেন্টগন সাফল্যের সাথে পোল্যান্ডের ওয়ার্ক পারমিটের কাজ করছেন। সাফল্যের হার 99%। ভিসার আগে আমরা কোন প্রকার অগ্রীম নেইনা। বর্তমানে আমাদের রেট ১১ লক্ষ টাকা ভিসার পর। পোল্যান্ডে কাজের ধরন স্টেপ অনুসারে নিচে দেখানো হলো। যারা পোল্যান্ডে আগ্রহী তারা নিচের স্টেপগুলো পছন্দ হলেই কেবলমাত্র আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন।
১। ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে চুক্তিপত্র। চুক্তিপত্রের সময় ক্যান্ডিডেট নিজের এ্যাকাউন্টের একটি এ্যাডভান্স ডেটেড চেক প্রদান করবেন। চেকের ডিটেইলস চুক্তিপত্রে উল্লেখ থাকবে।
২। ওয়ার্ক পারমিট আসলে ক্যান্ডিডেট নিজের খরচে ভারতে যাবেন এবং ৭ থেকে ১২ দিন থাকবেন।
৩। দিল্লীর পোলিশ এ্যামবাসি থেকে নিজের হাতে ভিসা গ্রহনের সাথে সাথে বাংলাদেশ থেকে আমাদের এজেন্টকে ৮ লক্ষ টাকা প্রদান করতে হবে।
৪। এরপর ক্যান্ডিডেট বাংলাদেশে চলে আসবেন পাসপোর্ট ও ভিসা নিয়ে। বাংলাদেশ সরকারের জনশক্তি মন্ত্রনালয়ে পাসপোর্ট ম্যান পাওয়ার পারমিশনের জন্য জমা দিতে হবে। ম্যান পাওয়ার হবার সাথে সাথেই বাকি তিন লক্ষ টাকা এজেন্টকে প্রদান করতে হবে।
পুরো প্রক্রিয়াটি visas4u পর্যবেক্ষন করবে। আমরা দেখবো আপনি যাতে অনিরাপদ বোধ না করেন এবং এজেন্টের কর্মশ্রমের প্রাপ্তি যেন নিরাপদ হয়। প্রক্রিয়াটি পছন্দ হলে যোগাযোগ করুন: 01772369451
আজারবাইজান হতে পারে আপনার পড়াশোনার নতুন ঠিকানা
পশ্চিম এশিয়ার একটি প্রজাতন্ত্রী রাষ্ট্র। এটি কৃষ্ণ সাগর ও কাস্পিয়ান সাগরের মধ্যবর্তী স্থলযোটক দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলের সবচেয়ে পূর্বে অবস্থিত রাষ্ট্র। আয়তন ও জনসংখ্যার দিকে থেকে এটি ককেশীয় রাষ্ট্রগুলির মধ্যে বৃহত্তম। দেশটির উত্তরে রাশিয়া, পূর্বে কাস্পিয়ান সাগর, দক্ষিণে ইরান, পশ্চিমে আর্মেনিয়া, উত্তর-পশ্চিমে জর্জিয়া। এছাড়াও ছিটমহল নাখশিভানের মাধ্যমে তুরস্কের সাথে আজারবাইজানের একচিলতে সীমান্ত আছে। আর্মেনিয়ার পর্বতের একটি সরু সারি নাখশিভান ও আজারবাইজানকে পৃথক করেছে। দেশটির সংবিধানের ৪৮ নম্বরধারানুযায়ী আজারবাইজান

একটি সেকুলার রাষ্ট্র এবং এতে ধর্মীয়স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে।দেশটিতে ৩-৪ শতাংশ খ্রিষ্টানের মধ্যে রাশিয়ান, জর্জিয়ান এবং আর্মেনিয়ান অর্থোডক্সের প্রাধান্য রয়েছে। আজারবাইজান যদিও তেমন ধনী দেশ নয় তারপরও আমাদের দেশের বা পার্শ্ববর্তী দেশের চেয়ে অনেক এগিয়ে রয়েছে। তাই এদেশ থেকে প্রতি বছর প্রচুর ছাত্র ছাত্রী এই দেশে যাচ্ছে পড়াশোনার জন্য। এখানে পড়াশোনার মান উন্নত এবং খরচ খুব কম। পড়াশোনার খরচ প্রায় বাংলাদেশের মতোই, কিন্তু মানের দিক থেকে ইউরোপ বা আমেরিকার কাছাকাছি। তাছাড়া এখান থেকে অন্যদেশে চলে যাবার সুযোগ রয়েছে। মনে রাখতে হবে যে আজারবাইজান রাশিয়ান স্টেট ছিল তাই পড়াশোনার দিক থেকেও এগিয়ে আছে রাশানদের মতোই। এদেশের অনেক বাবা তার ছেলেমেয়েদের নিয়ে চিন্তিত। রাজনৈতিক অবস্থা, মাদকের ভয়াল থাবার কারনে ছিন্নভিন্ন হতে যাচ্ছে বাংলাদেশী যুবসমাজের অস্তিত্ব। ইউরোপের বা আমেরিকার ভিসা যেখানে ১০০% কঠিন এবং প্রচুর অর্থবিত্ত থাকলে সেখানে পড়াশোনা করা যায় সেখানে ৪.৫০,০০০ হাজার টাকায় আজারবাইজানের সবচেয়ে ভালো ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনার অসাধারন সুযোগ খোলা রয়েছে। আবার আজারবাইজান থেকে পরবর্তীতে ইউরোপে চলে যাবার সুবিধা থাকায় বর্তমানে ছাত্রছাত্রীদের আজারবাইজানের দিকে বেশ ঝোঁক দেখা যাচ্ছে।
বর্তমানে আমাদের নানা ভেরিফায়েড এজেন্ট তাদের রেট আমাদের পাঠাচ্ছেন। এদের মধ্যে নিচের কয়েকটি রেট ছাত্রছাত্রীদের সবচেয়ে প্রিয়।
Package included (Package 1)
 
Package amount: Tk 4, 00,000/- (ভেরিফায়েড এজেন্ট কোড 0100)

(1) Medical (Bangladesh)
(2) Admission Fee
(3) Bank Statement
(4) File submission cost in Delhi (we will carry student file from Bangladesh and submit it Embassy in New Delhi on behalf of student)
(5) Embassy Visa Stamping Fee
(6) Air ticket
(7) 1 year Tuition fees
(8) 1 Month accommodation
(8) Health insurance
(9) Airport Pick up.
(10) ID, Hostel, Library & International student card
(11) TRP card in Azerbaijan
 
 
Package included (Package 2)
 
Package amount: Tk 4,00,000/- (ভেরিফায়েড এজেন্ট কোড 0174)

(1) Medical (Bangladesh)
(2) Admission Fee
(3) Bank sponsor (Local)
(4) File submission cost in Delhi (we will carry student file from Bangladesh and submit it Embassy in New Delhi on behalf of student)
(5) Embassy Visa Stamping Fee
(6) Air ticket
(7) 1 year Tuition fees
(8) 1 month accommodation
(9) Airport Contact
 
 
Package included (Package 3)
 
Package amount: Tk 3,50,000/- (ভেরিফায়েড এজেন্ট কোড 0211)

(1) Medical (Bangladesh)
(2) Admission Fee
(3) Bank statement
(4) File submission cost in Delhi (we will carry student file from Bangladesh and submit it Embassy in New Delhi on behalf of student)
(5) Embassy Visa Stamping Fee
(6) Air ticket
(7) 1 year Tuition fees
(8) 1 Month accommodation
 
 
Package included (Package 4)
 
Package amount: Tk 3, 00,000/-(ভেরিফায়েড এজেন্ট কোড 0326)

(1) Medical (Bangladesh)
(2) Admission Fee
(3) Bank statement
(4) File submission cost in Delhi (we will carry student file from Bangladesh and submit it Embassy in New Delhi on behalf of student)
(5) Embassy Visa Stamping Fee
(7) 1 year Tuition fees